কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় ইউপি সদস্য সাখাওয়াত হোসেনের মুক্তি এবং তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন বিএনপির নেতাকর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকাল ১১টার দিকে মেঘনা থানার সামনে এ কর্মসূচি পালিত হয়। পরে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে মেঘনা হাইওয়ে সড়কের পাশে সংক্ষিপ্ত সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাখাওয়াত হোসেন রাধানগর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য। তাঁকে রাজনৈতিকভাবে হয়রানির উদ্দেশ্যে একটি প্রভাবশালী মহলের যোগসাজশে মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন বিক্ষোভকারীরা।
বক্তারা বলেন, সাখাওয়াত দীর্ঘদিন ধরে রাধানগর ইউনিয়নের কাঠালিয়া নদীপথে চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে আসছিলেন। তিনি ইমরানসহ একাধিক ব্যক্তিকে আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দেন।
মানববন্ধনে মেঘনা থানা বিএনপির সদস্যসচিব আজহারুল হক শাহীন বলেন, ‘৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে সাখাওয়াত চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকা পালন করেছেন। কিন্তু একটি কুচক্রী মহল ও কিছু নামধারী নেতার যোগসাজশে টাকার বিনিময়ে তাঁকে নৌ-পুলিশ ফাঁড়িতে ডেকে নিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাঁর মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহার না হলে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।’
তিনি আরও বলেন, চালিভাঙ্গা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার প্রত্যাহার করতে হবে। পাশাপাশি মামলার এজাহারে উল্লেখিত
ম্বর আসামি রিফাত এক বছর আগে বিদেশে গেলেও তাকে আসামি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
এ বিষয়ে চালিভাঙ্গা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. আজমগীর হোসাইন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এবং আদালতের সুনির্দিষ্ট তথ্যের আলোকে সাখাওয়াতকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘চাঁদাবাজি দমনে আইন প্রয়োগে কোনো ধরনের দলীয় প্রভাব কাজ করে না। আদালত তাঁকে নির্দোষ মনে করলে তিনি মুক্তি পাবেন।’
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শাহাবুদ্দিন, আশরাফুল হক কুসুম ভূঁইয়া, আমজাদ হোসেন, মো. সেলিম সরকার, জাকির হোসেন, শাহজালাল, জাহানারা বেগম, রুমা আক্তার, কেফায়েত উল্লাহ, আসিফুল ইসলামসহ আরও অনেকে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 








